দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সাংবাদিক সাইদুর রহমানকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। আগামী এক বছরের জন্য তাকে প্রেস মিনিস্টার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়োগ পাওয়া সাংবাদিক সাইদুর রহমান বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী শাসনামলে সত্যের সন্ধানে এক নির্ভীক কলমযোদ্ধা হিসাবে কাজ করে গেছেন। সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে অসামান্য ভূমিকা রাখেন। আন্দোলন যখন তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে একটি আন্দোলনের দিকনির্দেশনা নিয়ে সাইদুর রহমানের কথোপকথনের একটি অডিও ভাইরাল হয়। স্যোশাল মিডিয়ায় সবর্দা প্রতিবাদী এবং সোচ্চার সাংবাদিক হিসাবে পরিচিত তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন সাইদুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাংবাদিকতা শুরু করেন তিনি। ছাত্রদলের রাজনীতি করা অবস্থায় ২০০৫ সালের শেষদিকে তৎকালীন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর সুপারিশে বিএনপি মুখপাত্র দৈনিক দিনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টার হিসাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর ২০০৭ সালে যোগ দেন ঐতিহ্যবাহী দৈনিক ইত্তেফাকে। ২০০৭ সালে ছাত্রজনতার বিক্ষোভে মাঠে থেকে সহযোগিতা করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১০ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর তার উপর শুরু হয় ফ্যাসিবাদী খড়গ।
২০১৩ সালে বিগত সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় তাকে একাধিকবার চাকুরিচ্যুতির চেষ্টা করে ফ্যাসিবাদী সমর্থক সাংবাদিকরা। নির্বাচনী সাংবাদিকতা করার কারণে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন। ২০১৮ সালে নির্বাচন কমিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
কেএম